আত্মঘাতী বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সোয়াট জেলা। রবিবার বিকেলে সোয়াটের কাবাল থানার কাছে বিস্ফোরণটি হয়। প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত বিস্ফোরণে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। জখম হয়েছেন আরও অন্তত ১৮ জন।
কে বা কারা এই হামলা চালিয়েছে, তা প্রাথমিক ভাবে স্পষ্ট নয়। তবে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে দীর্ঘ দিন ধরেই সক্রিয় বিদ্রোহী গোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)। পাকিস্তানি সেনার সঙ্গে প্রায়শই তাদের সংঘর্ষ লেগে থাকে। তবে এই হামলার সঙ্গে টিটিপি-র কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা জানা যায়নি।
প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, অজ্ঞাতপরিচয় ওই আত্মঘাতী হামলাকারী কাবাল থানার ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন। সেই সময়ে তাঁকে থামিয়ে তল্লাশির চেষ্টা করেন থানার বাইরে মোতায়েন পুলিশকর্মীরা। তখনই বিস্ফোরণটি হয়। সোয়াট জেলার পুলিশ আধিকারিক উমর খান জানাচ্ছেন, ঘটনায় ১৪ জন নিহত হয়েছেন। জখম হয়েছেন আরও ১৮ জন। এই হামলার পরে জেলা জুড়ে বাহিনীকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। আপাতত গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে নিরাপত্তাবাহিনী।
সূত্রের খবর, রবিবার ওই থানার কাছেই ‘সন্ত্রাসবাদের’ বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ কর্মসূচি চলছিল। তার মাঝেই এই বিস্ফোরণ ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা এবং আতঙ্ক ছড়ায়। এই হামলার আগে রবিবারই পেশোয়ার সংলগ্ন একটি টোল প্লাজার কাছে আইইডি বিস্ফোরণ হয়। তাতে দু’জন পুলিশকর্মী নিহত হন। গত বৃহস্পতিবারই খাইবার পাখতুনখোয়ার হাঙ্গুতে একটি পুলিশচৌকিতে হামলা হয়। তাতে ৯ জন পুলিশকর্মী নিহত হন।
প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত কাবাল থানার কাছে আত্মঘাতী বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেনি কোনও গোষ্ঠী।
কে বা কারা এই হামলা চালিয়েছে, তা প্রাথমিক ভাবে স্পষ্ট নয়। তবে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে দীর্ঘ দিন ধরেই সক্রিয় বিদ্রোহী গোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)। পাকিস্তানি সেনার সঙ্গে প্রায়শই তাদের সংঘর্ষ লেগে থাকে। তবে এই হামলার সঙ্গে টিটিপি-র কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা জানা যায়নি।
প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, অজ্ঞাতপরিচয় ওই আত্মঘাতী হামলাকারী কাবাল থানার ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন। সেই সময়ে তাঁকে থামিয়ে তল্লাশির চেষ্টা করেন থানার বাইরে মোতায়েন পুলিশকর্মীরা। তখনই বিস্ফোরণটি হয়। সোয়াট জেলার পুলিশ আধিকারিক উমর খান জানাচ্ছেন, ঘটনায় ১৪ জন নিহত হয়েছেন। জখম হয়েছেন আরও ১৮ জন। এই হামলার পরে জেলা জুড়ে বাহিনীকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। আপাতত গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে নিরাপত্তাবাহিনী।
সূত্রের খবর, রবিবার ওই থানার কাছেই ‘সন্ত্রাসবাদের’ বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ কর্মসূচি চলছিল। তার মাঝেই এই বিস্ফোরণ ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা এবং আতঙ্ক ছড়ায়। এই হামলার আগে রবিবারই পেশোয়ার সংলগ্ন একটি টোল প্লাজার কাছে আইইডি বিস্ফোরণ হয়। তাতে দু’জন পুলিশকর্মী নিহত হন। গত বৃহস্পতিবারই খাইবার পাখতুনখোয়ার হাঙ্গুতে একটি পুলিশচৌকিতে হামলা হয়। তাতে ৯ জন পুলিশকর্মী নিহত হন।
প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত কাবাল থানার কাছে আত্মঘাতী বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেনি কোনও গোষ্ঠী।
আন্তজার্তিক ডেস্ক